গলদা চিংড়ি ঘিলু ৫০০ গ্রাম + পায়ের শাশ ৫০০ গ্রাম= ১ কেজি
সুস্বাদু গলদা চিংড়ির শাশ ও ঘিলু খেতে যেমন মজাদার তেমনি ভিটামিন, ওমেগা -৩ ও প্রোটিন সমৃদ্ধ। আপনার মজাদার চিংড়ির রেসিপিতে যোগ করুন আমাদের গলদা চিংড়ির ঘিলু ও পায়ের শাশ। তাই আর দেরী না করে এখনই অর্ডার করুন!
গলদা চিংড়ির ঘিলু ও পায়ের শাশ
চিংড়ি মাছের ঘিলু ও পায়ের শাশ বড় সাইজের গলদা চিংড়ি লম্বা ও মোটা পা থেকে সংগ্রহ করা হয় পায়ের শাশা এবং মাথা থেকে সংগ্রহ করা হয় ঘিলু, এটি অতি সুস্বাদু হলেও একমাত্র পাওয়া যায় বাগেরহাট ও খুলনাতে তাও খুবই সীমিত। তবে যাদের হার্টে সমস্যা আছে তাদের এটি এড়িয়ে চলা উচিৎ। কারন এটিতে রয়েছে কোলস্টোর।
- গলদা চিংড়ি ঘিলু ও পায়ের শাশে থাকে ফ্যাট, প্রোটিন এবং মিনারেলসের একটি সুষম অনুপাত যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ভাল।
- গলদা চিংড়ি ঘিলু ও পায়ের শাশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম যা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রোধ করে। অর্থাৎ ক্যানসার প্রতিরোধে চিংড়ি অত্যন্ত কার্যকরী।
- ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ এই খাবার হৃৎপিণ্ড ভাল রাখতে সাহায্য করে। ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং লিভারের পক্ষেও ভাল।
- গলদা চিংড়ির পায়ের শাশে হল প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়ামের উৎস।
- ভিটামিন-ই প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় চিংড়িতে। তাই পরিমিত পরিমাণ চিংড়ি নিয়মিত খেলে ত্বক ভাল থাকে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে।
- গলদা চিংড়ির পায়ের শাশে রয়েছে ভিটামিন বি-১২। এই বিশেষ ভিটামিনটি স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ড ভাল থাকে।
- গলদা চিংড়ি ঘিলু ও পায়ের শাশে হল প্রচুর পরিমাণ প্রোটিনের উৎস আর প্রোটিন শরীরের একটি প্রয়োজনীয় উপকরণ। শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন না থাকলে যে কোন আঘাত বা ক্ষত সেরে উঠতে দেরি হয়।
- অন্যান্য অনেক মাছ এবং মাংসের তুলনায় চিংড়িতে ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটা কম। তাই যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাঁরা গলদা চিংড়ির পায়ের শাশ বেশি করে খেলেও ওজন বাড়ার আশঙ্কা নেই।
গলদা চিংড়ি ঘিলু ও পায়ের শাশা সাধারণত শীতে বেশি পাওয়া যায়, বছরের অন্যান্য সময়েও পাওয়া যায় কিন্তু পরিমানে কম। তাই শীতের তুলনায় অন্যসময় দাম তুলনামূলক বেশি হয়। আবহাওয়া সাথে স্বাদের ও কিছুটা পরিবর্তন হয়। আমাদের কাছে ১২ মাসই এই সুস্বাদু খবারটি পাবেন। আশা করি এই ব্যতিক্রমি খাবারটি আপনার খাবার স্বাদকে অন্যমাত্রাই নিয়ে যাবে।